সতের মাস পরে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন গ্রেপ্তার,
- আপডেট সময় : ০৫:৩২:০৮ এএম, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ৩১ শেয়ার হয়েছে
বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা শিরীন শারমিন চৌধুরী রাজনৈতিক অঙ্গনে এক গুরুত্বপূর্ণ নাম। কিন্তু ১৭ মাসে তার প্রকাশ্যে উপস্থিতি না থাকায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। ১৭ মাস তিনি কোথায় ছিলেন? কী করছিলেন? তিনি কি নিজে থেকে আড়ালে ছিলেন?
দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই রাজনীতিক একসময় সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে নিয়মিতই ছিলেন। সংসদের অধিবেশন পরিচালনা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ—সব ক্ষেত্রেই তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল দৃশ্যমান। তবে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তাকে প্রকাশ্যে আর দেখা যায়নি। তাই রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও তার অবস্থান নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়।
স্পিকারের দেখভালের দায়িত্বে থাকা তৎকালীন সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা গণমাধ্যমকে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বেলা দেড়টার দিকে সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবন থেকে বের হন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। স- পরিবারে একটি সাধারণ প্রাইভেট কারে করে তড়িঘড়ি বের হন তিনি। এ সময় স্পিকারের জন্য বরাদ্দ গাড়ি ও সংসদ সচিবালয়ের পরিবহন পুল থেকে পাঠানো গাড়িও ব্যবহার করেননি। তবে সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি কোথায় গেছেন তা বলতে পারেননি তারা।
একাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কথা বলেও স্পিকারের অবস্থান সম্পর্কে এতদিন কিছুই জানা যায়নি। তাই প্রশ্ন উঠেছিল, তিনি কি দেশে নাকি বিদেশে চলে গেছেন ;
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। বর্তমানে তিনি ডিবি হেফাজতে রয়েছেন। আটক হওয়া বাসা তার নিজের বলা হলেও স্বজনদের দাবি এটি তার আত্মীয়ের বাসা।
প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি তিনি এতদিন এখানেই ছিলেন ;

২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর স্পিকার হন আবদুল হামিদ। ২০১৩ সালে তাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হলে স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। এরপর টানা এ দায়িত্বে ছিলেন তিনি। শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ২৭ দিনের মাথায় ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন। সে পদত্যাপত্র কোথা থেকে এসেছে সেটি নিয়েও সে সময় প্রশ্ন উঠেছিল।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন (৩৮) নিহত হওয়ার ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা হয়।





















