আজ পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩
- আপডেট সময় : ০২:৪৩:৩৫ এএম, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০ শেয়ার হয়েছে
জরাজীর্ণ অতীতকে বিদায় জানিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে দেশজুড়ে বরণ করে নেওয়া হচ্ছে নতুন বছর ১৪৩৩। বাঙালির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এই সর্বজনীন উৎসবে জাতি ও ধর্মের বিভেদ ভুলে নতুন দিনের সম্ভাবনায় মেতে উঠেছে সাধারণ মানুষ। সারা দেশে আজ সরকারি ছুটির মধ্য দিয়ে উৎসবটি উদযাপিত হচ্ছে।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন। তারা তাদের বার্তায় দেশের মানুষের সার্বিক সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করেন। পাশাপাশি অতীতের সব ব্যর্থতা দূরে ঠেলে সুখী বাংলাদেশ গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন শীর্ষ এই দুই নেতা।বাংলাদেশের অর্থনীতি
ঐতিহাসিকভাবে মোগল সম্রাট আকবর ১৫৫৬ সালে মূলত খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে ফসলি সনের প্রবর্তন করেছিলেন, যা পরবর্তীতে বঙ্গাব্দ নামে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। কৃষিভিত্তিক সেই আদি সমাজের রীতি অনুযায়ী আজও নববর্ষে হালখাতা প্রথা পালন করা হয়। গ্রাম থেকে শহরের ব্যবসায়ীরা এই দিনে পুরোনো হিসাব চুকিয়ে গ্রাহকদের মিষ্টিমুখ করানোর মাধ্যমে দিনটিকে ভিন্ন মাত্রা দিয়ে থাকেন।
পাকিস্তান আমলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরির মাধ্যমে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হতে থাকে। মহান স্বাধীনতার পর ধীরে ধীরে এই উৎসব নাগরিক জীবনে বড় প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। সময়ের পরিক্রমায় পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ বরণ অনুষ্ঠান বাঙালি সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী ধারক-বাহক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়েছিল। ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজনটি ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কোর বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মর্যাদার তালিকায় যুক্ত হয়। বর্ণাঢ্য এই শোভাযাত্রা বর্তমানে নববর্ষ উদযাপনের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে






















