সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায়,
- আপডেট সময় : ০৬:৪৫:৩০ এএম, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ৪৭ শেয়ার হয়েছে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে দেশের জ্বালানি সরবরাহেও। নতুন করে জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হওয়ায় মজুদ দিয়েই পরিস্থিতি সামাল দিতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে, যা দিন দিন আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে।
এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতে চাপ কমাতে সাশ্রয়ী নানা পদক্ষেপ বিবেচনা করছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। পাশাপাশি ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু করা বা অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার মতো বিকল্প ব্যবস্থাও ভাবা হচ্ছে।
সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি সাশ্রয়ে ইতিমধ্যে সব সকরারি সংস্থাকে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে। সেখানে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত আসতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
এদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকালে বাধ্যতামূলকভাবে অফিসে ৪০ মিনিট অবস্থান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় এবং অফিস কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ১১টি নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
গত রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অধীন দফতর-সংস্থা এবং মাঠ প্রশাসনের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এই নির্দেশনার চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিস কক্ষে আবশ্যিকভাবে অবস্থান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়সহ দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা প্রতিপালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হচ্ছে।






















