পলাশ উপজেলায় সরকারি নার্সারিতে বিবিধ চারা গাছ স্থানীয়ভাবে চাহিদা পূরণ করছে।
- আপডেট সময় : ০৭:৪৯:২২ এএম, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৪০ শেয়ার হয়েছে
পলাশ উপজেলায় সরকারি নার্সারিতে বিবিধ চারা গাছ স্থানীয়ভাবে চাহিদা পূরণ করছে।
পলাশ উপজেলা ৯৪.৪৩ বর্গ কি.মি. এলাকা জুড়ে অবস্থিত। এখানে প্রায় তিনলাখ লোকের বসবাস। এই উপজেলায় চারটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে ঘঠিত। এই উপজেলায় রয়েছে শিক্ষা, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির নাভি। বহমান শীতলক্ষা, হাড়িদোয়া, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর প্রেম ভালোবাসা মিশ্রিত দোআঁশ, বেলে, ও এঁটেল মাটির ঘটন। এখানে প্রতিটি বাড়ির আঙ্গিনায় রয়েছে আম,কাঁঠাল,লিচু, পেয়ারা, জলপাই,তেঁতুল, পুকুরের পারে রয়েছে জারুল, হিজল,ছাতিম, শিমুল,মেহগনি, পলাশ এবং ঔষধি গাছ হিসাবে রয়েছে আমলকি,বহেরা, হরতকি,অর্জুন বিবিধ গাছ। এই সমস্ত গাছ বন বিভাগ থেকে ক্রয় করে ন্যায্য মূল্যে লাগানো গাছ বলে জানা যায়। অত্র প্রতিবেদক নিজেও ছোটবেলা স্কুল থেকে ফেরার পথে পাঁচ টাকা হারে সরকারি নার্সারি থেকে বিবিধ প্রজাতির অনেক চারা ক্রয় করেছি।
কথা হয় পলাশ বন বিভাগের উপজেলা বন কর্মকর্তার সাথে তার কাছে জানতে চাওয়া হয় আগের জারুল, পলাশ,শিমুল, অনেক বেশি ছিল এর আগমন কিভাবে পুনরাবৃত্তি করা যায়? তিনি জানান বন বিভাগের সরকারি নার্সারিতে আগে প্রায় পঞ্চাশ হাজারের উপরে চারা করা যেতো। উপজেলায় প্রচুর চারার চাহিদা কিন্ত বর্তমানে দশ হাজার চারা করা যায় তাও পর্যাপ্ত না, যা বৈজ্ঞানিক পন্থা অবলম্বন করা যাচ্ছেনা।
অনুসন্ধানে জানা যায় অতি উৎসাহি কিছু লোকজনের উৎসাহের কারনে অক্সিজেনের কারখানা ছোট হয়ে আসে। উপজেলা পরিষদ বড় জায়গাটা নিয়ে নেয়। কিন্তু অদ্যবধি জায়গাটা খালিই পরে আছে। এখন অল্প পরিসরে চারা করা হচ্ছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। পরিবেশের ভারসাম্য বজায়ে রাখতে হলে গাছের দিকে সবাই মনোযোগ দিতে হবে। যেখানে একটা কাঠবাদাম বা অন্য যেকোনো চারা বেসরকারী বা ব্যাক্তিমালিকানা নার্সারিতে একশতো থেকে দুইশতো টাকা তারও বেশি কিন্তু সরকারি নার্সারিতে মাত্র নয় টাকা। সরকারি নার্সারিতে ন্যায্য মূল্যে চারা বিক্রয় এবং সরকারি নির্দেশনা থাকলে বিতরন করা হয়।
পলাশ উপজেলার স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজ মনে করেন সরকারি নার্সারিটি পলাশ উপজেলার বিভিন্ন চারার চাহিদা পূরন করে থাকে তাই নার্সারিটি দেখভাল সকলের দায়িত্ব।





















