নরসিংদীতে কিশোরকে গুলি করে হত্যা
- আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৫২ এএম, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৬৯ শেয়ার হয়েছে
নরসিংদীতে কিশোরকে গুলি করে হত্যা
নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তার ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বে এক স্কুলশিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। বুধবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে
নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তার ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বে এক স্কুলশিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। বুধবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মুস্তাকিম মিয়া (১৪) ওই এলাকার সৌদি প্রবাসী মাসুদ রানার ছেলে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, উপজেলা চরাঞ্চল সায়দাবাদ এলাকায় দুটি পক্ষে মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বের জেরে একাধিক সংঘর্ষে এ পর্যন্ত উভয় পক্ষে নারীসহ ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন এবং বাড়িতে হামলা ও লুটের ঘটনা ঘটে। এলাকার একটি পক্ষর নেতৃত্বে আছেন হানিফ মাষ্টার, অন্যটির নেতৃত্ব আছেন এরশাদ মিয়া।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, উপজেলা চরাঞ্চল সায়দাবাদ এলাকায় দুটি পক্ষে মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বের জেরে একাধিক সংঘর্ষে এ পর্যন্ত উভয় পক্ষে নারীসহ ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন এবং বাড়িতে হামলা ও লুটের ঘটনা ঘটে। এলাকার একটি পক্ষর নেতৃত্বে আছেন হানিফ মাষ্টার, অন্যটির নেতৃত্ব আছেন এরশাদ মিয়া।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই ঘটনার জেরে বুধবার সকালে এরশাদের অনুসারীরা দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হানিফ মাষ্টারের অনুসারীদের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালান। এ সময় হানিফের অনুসারীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। সংঘর্ষ চলাকালে এরশাদ গ্রুপের সাবেক মেম্বার ফিরোজের ভাতিজা মাসুম ওরফে চায়না গুলি করেন শিক্ষার্থী মুস্তাকিমকে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে সায়দাবাদ এলাকার রফিকুল ইসলাম (৩৭), সোহান (২৬) ও রোজিনা বেগম(৩৫) গুলিবিদ্ধ হন। বাকিদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
নিহতের মা শাহানা বেগম বলেন, সকালে আমার ছেলে মুস্তাকিম ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ির আঙ্গিনায় দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ফিরোজ মিয়ার ভাতিজা মাসুম ওরফে চায়না গুলি করে হত্যা করে। আমরা নিরপেক্ষ, কোনো দলের নয়। যারা আমার বুক যারা খালি করেছে জড়িতদের বিচার দাবি জানাই।
রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিমল চন্দ্র ধর বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মুস্তাকিম নামে একজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাকে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে তার শরীরের বাম পাশে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। গুলিটি ছিদ্র হয়ে বেরিয়ে গেছে। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।




















