পারিবারিক শিক্ষা মানুষের চরিত্রের নৈতিকতা চেনায়।
- আপডেট সময় : ০৮:২৩:৩২ পিএম, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ১৬৩ শেয়ার হয়েছে
বিশেষ প্রতিনিধি – পারিবারিক শিক্ষা মানুষের চরিত্রের নৈতিকতা চেনায়। আপনাকে আপনার কাছের দুরের মানুষের Reality চিনাবে। বন্ধু বান্ধব, সংগঠন, কর্মস্থলে সমমান সঙ্গী, সিনিয়র কর্মকর্তা, যে যেখানেই দায়িত্বকে নিজ সর্বদাতা হিসেবে চর্বিযুক্ত অহংকার কিংবা আমিত্ব হিসাবে নিবে তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করা জীবনে সাংঘাতিক ভুল।
দুঃখ হয় দায়িত্বে থেকে যারা অনুভব করেনা বাস্তবতার আলোকে মাঠ পর্যায়ের বনকর্মীদের দিনকাল, বিনা কারনে বিনা দোষে কাগজপত্রের আর কলমের শক্তির – শক্তি যারা মাঠ পর্যায়ে দেখাচ্ছেন তারা বর্তমান মাঠের অবস্থান বুঝে ব্যাবস্থা নিবেন কারণ এখন ডিভাইসের যুগ। নতুন মাঠকর্মী জনবল নেই তাদের সু – কৌশলী হওয়ার পরামর্শ দিন। বন দস্যুদের সাথে বন কর্মীদের টিকে থাকাটাই এখন কষ্টের সাধ্য।
তলের কাপড় টেনে টেনে চাচা শ্বশুরের সালাম নেয়ার যুগ এই চতুর্থ ধাপের যুগে মানায়না। মাঠ পর্যায়ে কতো নিষ্পাপ লোকদের বিনা কারনে কু-মনোযোগে যুগের কষ্ট পাবে এবং পাচ্ছে মিথ্যা বাহানার কারনে। যারা সত্যিকারের অপরাধী তাদের বিচার হউক কিন্তু যারা অপরাধী না তাদেরকে অহেতুক হয়রানি এবং কষ্ট দেয়া কোন ধর্মে সহনশীল না। মনে রাখবেন বিধাতা উত্তম ফয়সালাকারী।
হলুদ সাংবাদিকদের প্ররোচনায় পরে যেই ধ্বংসের খেলায় মেতে উঠেছে বন বিভাগের কিছু লোক, ভিতরে এবং বাহিরে বিভিন্ন ভূয়া চক্রের কলাকৌশলে – কৌশলী মনে করছেন তারা ভূল করছেন। আপনাদের প্রতি মাঠ পর্যায় থেকে ঘৃনা এবং ধিক্কার জানাচ্ছে। আমার কাছে বারবার ফোন আসে জনবল নেই কি করবো দাদা পরামর্শ দেন। আমি বলি আপনার বর্তমান কর্মস্থলে সিনিয়রদের পরামর্শ নেন। দুষ্ট যারা সেই সকল অসুস্থ মানসিক বিকলাঙ্গ জন এবং জনকে বলবো মাঠে তাদের ঘটনা না ঘটিয়ে গঠনমূলক কিছু শিখান।
সত্যের সাথে মিথ্যে সংকট মোকাবেলা করে এগিয়ে যাওয়া নেতৃত্বের নীতিমালা বর্তমান বন প্রশাসনের আছে বলে আমি মনে করি।
কিছু কিছু জায়গাই দুর্নীতি হচ্ছে এলোমেলো প্রশাসনের কারণে। মাঠের কর্মীর সাথে যদি ব্যক্তিগত দন্ধ নিয়ে কাগজের শক্তির খেতাব নেয়ার চেষ্টা করা হয় সেক্ষেত্রে একজন বাগানমালীও প্রতিহত করার চেষ্টা করবে। দিনে দিনে মিথ্যে দানার পরিমান কমিয়ে সৃষ্টিশীল কাজে সঠিক মনোযোগী হতে হবে। নতুবা বন প্রশাসন অচিরেই ধ্বংস হবে একটা কুচক্রি মহলের জন্যে। যারা সারাদিন বনের বিরুদ্ধে সমলোচনার করতেই আছেন তাদের বলবো ভালো কাজটাও দেখেন বুঝেন শুনেন লেখেন । আমি নিজেও বনের বেশি খারাপ কিছু দেখলে লেখালেখি করি। যা সঠিকতা নির্ণয় এবং নির্ধারণ করে।
ফরেস্টারদের ডিপ্লোমা স্কেল আদালতের রায় থাকা সত্বেও কার্যকর হচ্ছেনা। পদোন্নতিতে বারবার বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। বন প্রহরীদের পদোন্নতির জটিলতা নিরসন হচ্ছেনা। শিক্ষাগত মান নিয়োগবিধিতে বাড়ানো হয়েছে কিন্তু বেতন কাঠামোর হার আগের মতোনই রয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষ নজর না দিলে অন্য কারো দ্বারা কঠিন হয়ে যাবে। এই সমস্ত কাজগুলো করলে বন বিভাগের ইতিহাসে আরো শৃঙ্খলার নিয়মে এগিয়ে যাবে বর্তমান বন প্রশাসন।
কম জনবল নিয়ে হাজার হাজার একর বনভুমি রক্ষা এখন ভুমিকম্পের মতোন তাই নতু বিট কর্মকর্তা নতুন ফরেস্ট গার্ড তাদের গায়ে শক্তি সাহস আছে কেবল অদৃশ্য অসুস্থ কৌশল নেই তাই তাদের বিপদে ফেলবেননা। কাজ শিখিয়ে নিন। পারিবারিক শিক্ষা মানুষের বেঁচে থাকার এবং চলার হেফাজতকারী।
ফেডরিক মুকুল বিশ্বাস
পরিবেশ সংগঠক
বিশেষ প্রতিনিধি ” সংবাদ কথা




















